ঢাকা,
মেনু |||

ব‌রিশা‌লে ‌বিত‌র্কিত‌দের নি‌য়ে যুবদ‌লের ক‌মি‌ঠি গঠ‌নের গুঞ্জন

নিজস্ব প্রতি‌বেদক :

ত্যাগি, যোগ্য ও পরীক্ষিত নেতাদের বঞ্চিত করার ঘটনাকে নিয়মে পরিনত করছে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের কমিটি গঠনে। ধারাবাহিকতায় আবারো সংক্রিয় ও নিবেদিত প্রান নেতাদের বাদ দিয়ে কমিটি গঠন করার গুঞ্জন উঠেছে যুবদল উত্তর জেলা নিয়ে। ব্যর্থতা, সাংগঠনিক অযোগ্যতাসহ নানা অভিযোগের দায়ে ভেঙ্গে দেয়া উত্তর জেলা যুবদলের কমিটি বির্তকিতদের নিয়েই করা হচ্ছে। সাম্প্রতি এমন একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি নিয়ে তৃনমুল পর্যায় থেকে শুরু করে বিএনপির সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মিদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তৃনমুল পর্যায়ের নেতা কর্মিরা তাদের ক্ষোভের বহি.প্রকাশ করে ফেসবুকে তুলে ধরছেন তাদের ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া। বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ কোন মাধ্যমে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করতে না পারলেও চিন্তিত হয়ে পড়েছে অযোগ্যদের নিয়ে কমিটি গঠন করায়। ত্যাগি ও সংক্রিয় নেতা কর্মিদের বঞ্চিত করে নিস্ক্রিয় করায় ভবিষ্যতে দলীয় কর্মসুচী পালনেও ব্যর্থ হওয়ার শংকাও দেখা দিয়েছে তাদের মাঝে।
গত ১৫ মার্চ যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদকের দায়িত্ব প্রাপ্ত যুগ্ম সম্পাদক কামরুজ্জামান দুলাল স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তি নিয়ে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সালাহউদ্দিন পিপলুকে আহবায়ক ও গোলাম মোর্শেদ মাসুদকে সদস্য সচিব করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। কিন্তু কমিটির অপর ২৯ জনের নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর থেকে তৃনমুলসহ সকল মহলে সৃষ্টি হয় ক্ষোভ। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক নেতা জানান, মাস তিনেক পূর্বে উত্তর জেলা যুবদলের কমিটি ভেঙ্গে নতুন করে করার জন্য কেন্দ্রীয় কমিটিকে মৌখিক ভাবে নির্দেশ দেয় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক জিয়া। ইউনিট কমিটি গঠনে অর্থ আদায়, অনিয়ম, সংগঠন পরিচালনায় অযোগ্যতা ও ব্যর্থতার অভিযোগে ভেঙ্গে দেয়া ওই কমিটির সভাপতি ছিল কবির আফসারী ও সাধারন সম্পাদক ছিল সালাউদ্দিন পিপলু। পূর্বের কমিটির বিরুদ্ধে যত অভিযোগ ছিল, তার মুলে ছিলেন তৃনমুল নেতা কর্মিদের কাছে আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান হিসেবে পরিচিত সালাউদ্দিন পিপলু। তার কারনে পুণাঙ্গ কমিটি ভেঙ্গে দেয়ার পরে, সেই পিপলুকে আবার রাখা হয়েছে। তৃনমুল নেতা কর্মিদের ভাষ্য অনুসারে অযোগ্য, বির্তকিত ও সরকারী দলের সাথে আতাঁতকারী পিপলুকে রহস্যজনকভাবে পদোন্নতি দিয়ে করা হয়েছে আহবায়ক। কোনভাবে পিপলু এ পদের যোগ্য নয় বলে জানিয়ে নেতা কর্মিদের অভিযোগ, পিপলুর যোগ্যতা শুধু একটি, তা হলো সে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি রাজীব আহসানের বন্ধু।ব্যর্থতার দায় যে কমিটি ভেঙে দিয়েছে সেই কমিটির সাধারণ সম্পাদক কে নতুন করে আবার করার প্রস্তাবে তৃণমূলের ব্যাপক মিশ্র প্রক্রিয়া,,
এ প্রসঙ্গে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে কমিটিকে ঢেলে সাজানোর প্রতিক্রিয়া সেখানে এক প্রকার বিরূপ প্রক্রিয়ার সৃষ্টি হতে চলেছে ধুম্রজালের এই কমিটিকে তৃণমূলের নেতা কর্মীর সাথে এক ধরনের প্রতারণা বলে মনে করছেন উত্তর যুবদলের স্থানীয় বিএনপি’র সিনিয়র নেতৃবৃন্দ ও পদ প্রত্যাশী যুবদল নেতা কর্মীরা,,
নতুন কমিটিতে স্থান পাওয়া দুই নেতার বিরুদ্ধে রয়েছে আওয়ামী ঘরনা পরিবারের অভিযোগ,

উল্লেখ্য বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান উত্তর জেলা যুবদল কমিটি কে ব্যর্থ উল্লেখ করে নতুন কমিটি গঠনের সময়সীমা বেঁধে দেন তার ধারাবাহিকতায়দলীয় পদ কী মামু বাড়ির মোয়া,,
“”””””””””””””””
বাংলাদেশ জাতিয়তাবাদী যুবদল বরিশাল জেলা উত্তরের কমিটি নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্রের নমুনা,

যাকে আহবায়ক করার কথা শোনা যাচ্ছে পিপলুর জম্মাদ্দার,,আওয়ামী পরিবারের সন্তান,,
যার ব্যর্থতা ও পদ বাণিজ্যের ভেঙেছে যুবদল উত্তর এর কমিটি তাকে যদি প্রমোশন দেয় সেই পিকলু জমাদার কে আহবায়ক করার পায়তারা চলে এটাকে আমরা কিসের ইঙ্গিত মনে করতে পারি,, যার প্রধান যোগ্যতা হচ্ছে ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রাজিব আহসান’এর ব্যাগটানা,,২০০৪ দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্বাচন করায় ছাত্রদল থেকে থেকে বহিস্কৃত হয়েছিল পিপলু জমাদ্দার।
তাহলে টিম কেন ১৫৫ জন নেতাদের সিভি নিলেন তাদেরকে সাক্ষাৎ দেওয়ার জন্য ঢাকা নিলেন এর জবাব কে দেবে? তাহলে উত্তর জেলার নতুন কমিটির দরকার কিসের পুরাতন কমিটি বহাল, কমিটি ব্যর্থ হলে দায়ী হয় সভাপতি-সম্পাদক দুজনেই,,
এবং যাকে সদস্য-সচিব করা হচ্ছে তার বিরুদ্ধেও স্পষ্ট অভিযোগ রয়েছে তার পরিবারও আওয়ামী ঘরনা পরিবার, সাবেক সংসদ সদস্য বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মোঃ ইউনুস এর ভাতিজা হচ্ছে মাসুদ,, আর বিএনপির রাজনীতি মাসুদ পরিচয় দিয়ে চলেন
এক প্রভাবশালী যুবনেতা যিনি নাকি যুবদল কেন্দ্রীয় সংসদের
দপ্তরের দায়িত্বে থাকা কামরুজ্জামান দুলাল এর কথিত ভাগিনা হিসেবে পরিচিত, ভাগিনা নাকি গোলাম মোর্শেদ মাসুদ,,তার রাজনীতির খতিয়ান পর্যালোচনা স্পষ্ট ফুটে উঠেছে ১২ বছরে১ টি মামলা খান নি,,নিয়মিত ঢাকায় তার বসবাস এবং নিয়মিত ঢাকায় বসে ব্যবসা-বাণিজ্য করেন,, দীর্ঘ সময় ধরে তাকে রাজনৈতিক মাঠে দলীয় কর্মসূচিতে দেখা যায়নি, এ প্রসঙ্গে যুবদলের নেতৃবৃন্দ দাবি মাসুদ কোনোভাবেই বাংলাদেশ জাতীয়বাদী যুবদল উত্তর জেলা শাখার একটি সংগঠনের সদস্যসচিব হওয়ার মত যোগ্যতা রাখে না যেখানে হাই প্রোফাইলের অনেক যুবনেতা তার রাজনৈতিক প্রোফাইল জমা দিয়েছে সেখানে অবস্থানে আসার কথা নয়,, এ প্রসঙ্গে অনেক যুবদলের নেতা এভাবে ব্যাখ্যা দিয়েছেন
তার যোগ্যতা মামু তার বড় নেতা যুবদলের দপ্তর দেখেন তার ভাগিনা বলে কথা,,,চমৎকার,,
সুযোগ পেলেই সবাই পকেটে বন্দি করে আর তৃণমূল নেতা-কর্মী উনাদের মজার খোরাক হন কোন ধরনের চাপিয়ে দেওয়া কমিটি উত্তর যুবদলের তৃণমূল নেতা-কর্মী মেনে নিবে না। এই কমিটি নিয়ে সংগঠনকে সাজানোর পরিবর্তে ব্যাপক ধরনের মতপার্থক্যের বিরূপ প্রক্রিয়া ঘটতে পারে তৃণমূলে এই নিয়ে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মাঝে এক ধরনের চাপা ক্ষোভ দেখা যাচ্ছে ।


akash bangla

প্রধান ‍উপদেষ্টা: মো: ‍আবু তালেব মিয়া
প্রকাশক: মো: ‍ইনাম মাহমুদ
সম্পাদক : রিয়াজ পাটওয়ারী
যুগ্ম সম্পাদক: খান আব্বাস
প্রধান সম্পাদক: মো: কামরুল ইসলাম
সহ সম্পাদক: মো: মেহেদী হাসান
নির্বাহী সম্পাদক: শাহাদাত তালুকদার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: এম এইচ প্রিন্স
সা‌হিত‌্য সম্পাদক: এম কে সুমনা
Desing & Developed BY Engineer BD Network