ঢাকা,
মেনু |||

আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করতেই একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা করে জঙ্গিরা

অনলাইন ডেস্ক :
দু’হাজার একে বিএনপি-জামাত জোট ক্ষমতায় আসার পরই তাদের পৃষ্ঠপোষকতায় একটি চক্র অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাসীদের নিঃশেষ করতে একের পর এক সন্ত্রাসী হামলা চালাতে থাকে।
এরই ধারাবাহিকতায় দুহাজার চারের একুশে আগস্ট আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করতে রাষ্ট্রীয় মদদে গ্রেনেড হামলা করে জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদ। চৌদ্দ বছর পর, গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ে, দণ্ডিত হয়েছে চক্রটি।

 

 

ষোলো বছর আগে, একুশে আগস্টের বিকেল ছিল রক্তাক্ত বিভীষিকাময়। বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসবিরোধী শান্তি সমাবেশে, যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহৃত আর্জেস গ্রেনেড দিয়ে হামলা করে হরকাতুল জিহাদের জঙ্গিরা। শেখ হাসিনা প্রাণে বেঁচে গেলেও নিহত হন আইভী রহমানসহ চব্বিশ নেতা-কর্মী।

 

 

গ্রেনেড হামলা মামলার প্রধান তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত উপ-মহাপরিদর্শক আবদুল কাহার আকন্দ জানান, অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাসী শক্তিগুলোকে আদর্শিক শত্রু মনে করে হরকাতুল জিহাদ। এ কারণেই একুশে আগস্ট শেখ হাসিনাকে হত্যার পাশাপাশি আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূণ্য করতে গ্রেনেড হামলা করে জঙ্গি সংগঠনটি।

 

 

একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলা প্রধান তদন্ত কর্মকর্তা আবদুল কাহার আকন্দ,’ধর্ম নিরপেক্ষ রাজনীতি ও অসাম্প্রদায়িক রাজনীতি এটাই হলো মূল টার্গেট। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় আসে তখন তাদের ধারণা হলো, শেখ হাসিনা যদি ক্ষমতায় থাকে বা আওয়ামী লীগ যদি ক্ষমতায় থাকে, তবে তাদের এ কার্যক্রম এ দেশে চালানো সম্ভব না। তখন থেকেই তারা আওয়ামী লীগ বা শেখ হাসিনাকে শেষ করে দেয়ার চেষ্টা চালাতে থাকে।’

 

 

হামলার চৌদ্দ বছর পর বিচাররিক আদালতের রায়ের মাধ্যমে উন্মোচিত হয় ষড়যন্ত্রকারী, সহায়তাকারী ও বাস্তবায়নকারীদের নীল নকশা। গ্রেনেড হামলা চালানো হয়েছিল রাষ্ট্রীয় মদদে। রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত আরও বলেন- রাজনীতি মানেই কি বিরোধী দলের ওপর পৈশাচিক আক্রমণ? বিরোধ থাকলেই কি বিরোধী দলকে নেতৃত্বশুন্য করার প্রয়াস চালাতে হবে? বিরোধীদলীয় নেতাদের হত্যা করে ক্ষমতাসীনদের রাজনৈতিক ফায়দা অর্জন মোটেই গণতান্ত্রিক চিন্তার বহিঃপ্রকাশ নয়।

 

 

রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌঁসুলি সৈয়দ রেজাউর রহমান জানান, আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করতে জঙ্গিদের সঙ্গে হাত মেলান বিএনপি-জামায়াতের এমপি-মন্ত্রী-রাজনীতিক থেকে সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তারাও। একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার প্রধান কৌঁসুলি সৈয়দ রেজাউর রহমান বলেন, ‘আব্দুস সালাম পিন্টু, লুৎফুজ্জামান বাবর, কায়কোবাদ, হারিস চৌধূরী। এদের সঙ্গে আরও অনেক জঙ্গী। একটা পর্যায়ে তাদেরকে অর্থিক এবং প্রশাসনিক সাহায্য সহযোগীতার আশ্বাস তারকে জিয়া দিয়েছে।’

 

 

একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলা এখন উচ্চ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। এই মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তির মাধ্যমে বাংলাদেশবিরোধী শক্তি আরও কোনঠাসা হবে বলে প্রত্যাশা বিচার সংশ্লিষ্টদের।


admin

প্রধান ‍উপদেষ্টা: মো: ‍আবু তালেব মিয়া
প্রকাশক: মো: ‍ইনাম মাহমুদ
সম্পাদক : রিয়াজ পাটওয়ারী
যুগ্ম সম্পাদক: খান আব্বাস
প্রধান সম্পাদক: মো: কামরুল ইসলাম
সহ সম্পাদক: মো: মেহেদী হাসান
নির্বাহী সম্পাদক: শাহাদাত তালুকদার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: এম এইচ প্রিন্স
Desing & Developed BY Engineer BD Network