ঢাকা,
মেনু |||

রাশিয়ার ফাঁড়া কাটাতেই পারছেন না ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক :

গেল নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর চেপে বসা ‘রাশিয়ার সহযোগিতার’ ফাঁড়া কাটছেই না। এই অভিযোগ নিয়ে এক মেয়াদ শেষ করতে চলা ট্রাম্প আগামী নির্বাচনের আগেও একই অভিযোগে বিরোধীদের শূল থেকে রেহাই পাচ্ছেন না।

 

 

২০১৬ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পরপরই রাশিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে দেশটি এই নির্বাচনে নানাভাবে হস্তক্ষেপ করেছিলো। মূলত পুতিনের ‘বদান্যতা’ পাওয়া ট্রাম্পকে জেতাতেই রাশিয়া উঠেপড়ে লেগেছিলো বলে ডেমোক্র্যাটরা বারংবার অভিযোগ তোলে।

 

 

যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপের বিষয়টি নিয়ে আটলান্টিকের পূর্বপারের দেশটিতে বেশ বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েন ট্রাম্প। সেসময় রিপাবলিকান দলের প্রার্থী হিসেবে ট্রাম্পের প্রচারণা চলাকালে ক্রেমলিনের সঙ্গে তার যোগাযোগকে ঘিরে যে কলঙ্কিত অধ্যায়ের জন্ম হয় তা থেকে ট্রাম্পের আজও মুক্তি মেলেনি।

 

 

শীতল যুদ্ধোত্তর মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রথম রাশিয়া ইস্যুটি খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট পদপার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাশিয়া ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন সম্পর্কে বেশ কিছু বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিনির্ধারক এবং সিভিল সমাজের অনেকে অভিযোগ তোলেন।

 

 

ওই নির্বাচনের পর অভিযোগ প্রমাণের খণ্ড-খণ্ড চিত্রে পাওয়া যায়, ফোনকল, ইমেইল, গোপনীয় আন্তর্জাতিক সাক্ষাৎকার এসব বিষয়গুলো বিবেচনা করে সার্বিক তথ্যগুলো তুলে ধরা হয়।

 

 

গোয়েন্দা তথ্যের বরাতে অ্যাটর্নি জেনারেল উইলিয়াম বার হকারের বিবরণটির ‘রাশিয়াগেট’ ও ‘বোগাস’ কেলেঙ্কারীতে ট্রাম্পকে অভিযুক্ত করা হয়। ট্রাম্পের মিত্ররা দাবি করেছেন, যে রাশিয়ার বিরুদ্ধে তদন্ত ভিত্তিহীনভাবে শুরু হয়েছিল এবং ‘রাষ্ট্রপতি’ পদ নিয়ে নাশকতা তৈরি করতেই এসব অভিযোগ তোলা হয়েছিল।

 

 

এ বিষয় নিয়ে গঠিত তদন্ত কমিটি ২০১৬ সালের নির্বাচনে রাশিয়ার আঁতাত নিয়ে এক হাজার পৃষ্ঠাসম্বলিত একটি সিরিজ প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। পরে মুয়েলার সেটি পর্যবেক্ষণ করেন। উদাহরণস্বরূপ, মুয়েলার যখন তার দীর্ঘকালীন সহযোগী এবং বিশ্বাসী রজার স্টোনের সঙ্গে কথা বলেন তখন ট্রাম্প মিথ্যা বলেছিলেন কি-না সে বিষয়টি অস্বীকার করেন।

 

 

২০১৬ সালের ৭ অক্টোবর কমিটির প্রকাশিত দলিলে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে এক নারীকে যৌন হেনস্তার অভিযোগ করা হয়। প্রতিক্রিয়া হিসেবে স্টোন ডেমোক্র্যাটিক ন্যাশনাল কমিটির কাছ থেকে চুরি করা অভ্যন্তরীণ ইমেইলগুলি প্রকাশের জন্য উইকিলিকসের কাছে ফোনও করা হয়েছিল।

 

 

ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণা কমিটির প্রাক্তন চেয়ারম্যান পল মনাফোর্টের দীর্ঘকালীন ব্যবসায়িক সহযোগী কন্সটান্টিন কিলিমনিক একজন রাশিয়ান গোয়েন্দা কর্মকর্তা ছিলেন। প্রচলিত রয়েছে, এই কন্সটান্টিন রাশিয়ান সামরিক বাহিনীর হ্যাকিং এবং ডিএনসির ফাঁস হওয়ার ঘটনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

 

 

তবে ডেমোক্র্যাটরা পৃথক আরেকটি প্রতিবেদনে দাবি করে, রিপাবিলাকানরা বিষয়টি যতই অস্বীকার করুক না কেন এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই যে তারা ‘রাশিয়ার হস্তক্ষেপের’ বিষয়টি ধামাচাপা দিতে পারবে না।


admin

প্রধান ‍উপদেষ্টা: মো: ‍আবু তালেব মিয়া
প্রকাশক: মো: ‍ইনাম মাহমুদ
সম্পাদক : রিয়াজ পাটওয়ারী
যুগ্ম সম্পাদক: খান আব্বাস
প্রধান সম্পাদক: মো: কামরুল ইসলাম
সহ সম্পাদক: মো: মেহেদী হাসান
নির্বাহী সম্পাদক: শাহাদাত তালুকদার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: এম এইচ প্রিন্স
সা‌হিত‌্য সম্পাদক: এম কে সুমনা
Desing & Developed BY Engineer BD Network