ঢাকা,
মেনু |||

দুমকি হাসপাতালে সনদ ছাড়াই চাকুরী করছে ফার্মাসিস্ট রুহুল আমিন

নিজস্ব প্রতিবেদক :
‘আমাকে লিখিত দিয়েছে দুদক। টিএইচ স্যার, সিভিল সার্জন স্যার সহ সকলেই অবগত আছেন আমার সার্টিফিকেটের ব্যাপারে। তবে আমার মতো অনেকেই চাকরি করছে বেতনও তুলছে। আপনারা খামাকা ঝামেলা করে লাভ কি ? অকপটে কথাগুলো বলছেন পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ফার্মাসিস্ট রুহুল আমিন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, সিভিল সার্জন, দুদক সহ সবাই জানেন। তবুও সার্টিফিকেট বিহীন চাকুরি নেওয়া রুহুল আমিন রয়ে গেছেন বহাল তবিয়তে। সম্প্রতি সংবাদ প্রকাশের পর রুহুল আমিন ও তার সহযোগী ওই হাসপাতালের ক্যাশিয়ার পরিচয়দানকারী সাইফুল ইসলাম মিডিয়া ম্যানেজে শুরু করেছে দৌড়ঝাপ।
ফার্মাসিস্ট রুহুল আমিন’র বিরুদ্ধে সার্টিফিকেট বিহীন চাকুরী করার অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগকে কোন অপরাধ হিসেবে মানতে নারাজ অভিযুক্ত ফার্মাসিস্ট রুহুল আমিন। তিনি বলছেন, নিয়োগে তিন বছরের ডিপ্লোমা সার্টিফিকেট’র কথা থাকেলো আমার রয়েছে ১ বছরের ডিপ্লোমা সার্টিফিকেট তাতে সমস্যা কি? অনেকের কোন সার্টিফিকেটই নাই তারাও তো চাকরি করছে।
রুহুল আমিন আরো বলেন, আমকে যারা চাকুরী দিয়েছে সার্টিফিকেট সম্পর্কে তারাই ভালো জানে।তাছাড়া দুদকসহ আমার ডিপার্টমেন্টের সবাই জানে।
সুত্রে জানাযায়, ২০০৩ সালের ২১ জুন দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় এক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পটুয়াখালী জেলা সিভিল সার্জন অফিসের অধীনে দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিভিন্ন পদে কর্মকর্তা কর্মচারী নিয়োগ দেয়া হয়। সেই নিয়োগে ফার্মাসিস্ট পদে নিয়োগ পায় রুহুল আমিন। নিয়োগ পাওয়ার পরপরই প্রশ্ন উঠে রুহুল আমিনের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে।
সুত্রে জানাযায়, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে সংশ্লিষ্ট ফার্মাসিস্ট পদে ৩বছরের ডিপ্লোমা সার্টিফিকেট’র কথা উল্লেখ থাকলেও রুহুল আমিন এক বছরের সার্টিফিকেট দিয়ে উক্ত পদে নিয়োগ পায়। মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে এ নিয়োগে তিনি অনৈতিক ভাবে চাকুরী পেয়েছেন বলে জানা গেছে। এ ব্যাপারে রুহুল আমিন আরো বলেন, শত্রুতা বসত আমার নামে একটি মহল গুজব ছড়াচ্ছে। প্রশ্ন তুলে রুহুল আমিন বলেন, আমার সার্টিফিকেটে সমস্যা থাকলে আমি বেতন তুলি কিভাবে? আমার ব্যাপারে সিভিল সার্জন স্যার ভালো জানেন।
এদিকে সার্টিফিকেট বিহীন একজন কর্মচারী কিভাবে বেতন পাচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে দুমকী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মীর শহিদুল আলম বলেন “আমি ব্যাপারটি শুনেছি তবে এটি সিভিল সার্জন স্যার বলতে পারবেন’।
এ ব্যাপারে পটুয়াখালী জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ জাহাঙ্গির আলম বলেন”আমি এখানে নুতন, নিয়োগ অনেক পূর্বের আমার কাছে কেউ লিখিত অভিযোগ করলে ব্যাপারটি খতিয়ে দেখব।”


রিয়াজ পাটওয়ারী

প্রধান ‍উপদেষ্টা: মো: ‍আবু তালেব মিয়া
প্রকাশক: মো: ‍ইনাম মাহমুদ
সম্পাদক : রিয়াজ পাটওয়ারী
যুগ্ম সম্পাদক: খান আব্বাস
প্রধান সম্পাদক: মো: কামরুল ইসলাম
সহ সম্পাদক: শরিফুল আলম সোহেল
নির্বাহী সম্পাদক: শাহাদাত তালুকদার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: এম এইচ প্রিন্স
Desing & Developed BY Engineer BD Network