ঢাকা,
মেনু |||

সিলেট থান্ডারকে ৪ উইকেটে হারালো চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স

ঘরের মাঠে জয় দিয়ে মিশন শুরু করলো চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। সিলেট থান্ডারকে হারালো ৪ উইকেটে। প্রথমে ব্যাট করে মেহেদী রানার বোলিং তোপে ১২৯ রানেই শেষ হয়ে যায় সিলেটের ইনিংস। জবাবে, সান্টোকির দুর্দান্ত বোলিং স্বত্বেও ৬ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় চট্টলার দলটি।

দুপুরের ম্যাচটা যদি হয় অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিমের, তাহলে রাতে জহুর আহমেদের নায়ক দুই দেশের দুই পেসার। একজন চট্টগ্রামের পেস সেনশেসন মেহেদী হাসান রানা, আরেকজন বিপিএলের শুরু থেকেই বিতর্কের জন্ম দেয়া সিলেটের ক্যারিবিয়ান রিক্রুট ক্রিসমার সান্টোকি।

দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে টস হেরে ব্যাট করতে নামে সিলেট থান্ডার। দেখেশুনে চ্যালেঞ্জার্সদের ভালোই সামাল দেন রনি-ফ্লেচার। তবে নিজের প্রথম ওভার করতে এসেই রনিকে প্লেড অন করেন মেহেদী রানা। আর পরের ওভারে শফিকুল্লাহকে ফেরান রুবেল হোসেন।

ফ্লেচার-মিঠুন মিলে সামাল দেন শুরুর ধাক্কা। কিন্তু ঈর্ষা হয় রিয়াদের। আবারো আক্রমণে আসেন রানা। এবার আরো এক কাঠি সড়েশ। এক ওভারেই ফিরিয়ে দেন দুই ব্যাটসম্যানকে।

থান্ডাররা তখন ধুঁকছিলো, তাদের তাড়া করছিলো এ আসরের সর্বনিম্ন স্কোরের লজ্জা। কিন্তু ত্রাতা হয়ে যান অধিনায়ক মোসাদ্দেক। নাঈমকে নিয়ে গড়েন ছোট্ট একটা জুটি। তবে, এদিন রুবেল-উইলিয়ামসদের কাছে অসহায় ছিলো সিলেটিরা।

শেষদিকে ক্রিসমার সান্টোকিকে বাউন্ডারিতে ক্যাচ বানিয়ে নিজের চতুর্থ উইকেট দখল করেন মেহেদী হাসান রানা। ক্যারিয়ার সেরা বোলিং করে সিলেটকে আটকে দেন ১২৯ রানে।

জবাব দিতে নেমে প্রথম বলেই ছক্কা হাঁকান লেন্ডল সিমন্স। পরের ওভারেই ফার্নান্ডোর স্টাম্প উপড়ে ফেলেন সান্টোকি।

তৃতীয় ওভারে বন্ধ হয়ে যায় খেলা। কিন্তু উইকেট পতনের কারণে নয়। হাজারো বিতর্কের বিপিএলে যোগ হয় নতুন পালক। নিভে যায় সাগরিকার ফ্লাড লাইটের আলো।

মিনিট দশেক পর আলোকিত হয় জহুর আহমেদ। শুরু হয় খেলা। কিন্তু আঁধার নেমে আসে ইমরুলের ইনিংসে। সান্টোকির স্লো বলের শিকার হয়ে ফেরেন ৬ রানে। দলের বেহাল দশা কাটাতে কিছুটা আগেই মাঠে নেমে পড়েন অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। কিন্তু লাভ হয়নি, স্টাম্প ছত্রখান এবাদতের বলে।

এক পাশ আগলে তখনো রানের চাকা সচল রাখেন সিমন্স। কিন্তু বেশিক্ষণ পারেন নি। দেলওয়ারের অবিশ্বাস্য ক্যাচে ওয়ালটন ফেরার পর, সোহানের সঙ্গে ভুল বুঝাবুঝিতে ফিরে যান লেন্ডল সিমন্স। আর মুক্তার আলি বোকা বনেন সান্টোকির স্লোয়ারে।

তবে ক্রিজে তখনো ছিলেন নুরুল হাসান সোহান। পরপর দুই ছক্কায় জানান দেন, ম্যাচের এখনো অনেক বাকি। বাকি কাজটুকু করেন কেসরিক উইলিয়ামস। ১২ বল হাতে রেখেই ৪ উইকেটে জিতে যায় স্বাগতিকরা।


রিয়াজ পাটওয়ারী

প্রধান ‍উপদেষ্টা: মো: ‍আবু তালেব মিয়া
প্রকাশক: মো: ‍ইনাম মাহমুদ
সম্পাদক : রিয়াজ পাটওয়ারী
যুগ্ম সম্পাদক: খান আব্বাস
প্রধান সম্পাদক: মো: কামরুল ইসলাম
সহ সম্পাদক: মো: মেহেদী হাসান
নির্বাহী সম্পাদক: শাহাদাত তালুকদার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: এম এইচ প্রিন্স
Desing & Developed BY Engineer BD Network