ঢাকা,
মেনু |||

কাউন্সিল ঘিরে আওয়ামী লীগের তৃণমূলে বাড়ছে সংঘাত-সংঘর্ষ

তৃণমূল আওয়ামী লীগে মতবিরোধ-সহিংসতা বাড়ছে। কেন্দ্রের নির্দেশানা অনুয়ায়ী, ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে কাউন্সিল শেষ করতে হবে। এ নিয়ে বিরোধে অক্টোবরে নিহত এক আর আহত প্রায় অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী। কোথাও কোথাও জারি হয়েছে ১৪৪ ধারাও। তবে, একে বড় কোনো ঘটনা মনে করছেন না কেন্দ্রীয় নেতারা। পাশাপাশি দিচ্ছেন, কাউন্সিল নিয়ে বিশৃঙ্খলায় ব্যবস্থা নেয়ার বার্তা।

উপজেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করেই আওয়ামী লীগের তৃণমূলে দৃশ্যমান হয়েছিল মতবিরোধ। এর জেরে হয়েছে সহিংসতাও। কেন্দ্রের কড়া নির্দেশ উপেক্ষা করেই ভোটে আসেন বিদ্রোহী প্রার্থীরা, নির্বাচিত হন ১৪০ জন।

আইন ও সালিশ কেন্দ্রের তথ্য বলছেন, জানুয়ারী থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৯ মাসে– নিজেদের বিরোধে নিহত ১১ আর আহত হয়েছেন আটশ’র বেশি কর্মী।

এরই মধ্যে জাতীয় সম্মেলন সামনে রেখে ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে তৃণমূলের কাউন্সিল শেষ করার নির্দেশনা দিয়েছে আওয়ামী লীগ। এ নিয়েও প্রকট হচ্ছে দ্বন্দ্ব। রাজবাড়ীর দেবগ্রাম ইউনিয়নে কাউন্সিলে সহিংসতায় মারা গেছেন একজন। রংপুর, লালমনিরহাট, নড়াইল, পটুয়াখালীসহ নানা জেলায় আহত অর্ধশতাধিক। মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ীতে ওয়ার্ড কমিটি গঠন নিয়ে দুপক্ষ একই জায়গায় সভা ডাকায় জারি করতে হয়েছে ১৪৪ ধারা।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ফারুক খান বলেন, কিছু কিছু জায়গায় গোলযোগ হয়েছে। তবে, এটাকে আমি ইতিবাচকভাবে দেখি। কারণ নেতা-কর্মীদের মধ্যে পদ পেতে প্রতিযোগিতা আছে। তবে এর মধ্য দিয়ে একটা দুইটা ঘটনা ঘটে গেলে এটা প্রমাণ করে না সারাদেশে কোন সমস্যা হচ্ছে।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান বলেন, কিছু কিছু সংঘর্ষ হয়, কিছু দু:খজনক ঘটনাও ঘটে। তবে, যতোটা খারাপ হওয়ার কথা মনে করেছিলাম ততোটা হয়নি। বড় সংগঠন আওয়ামী লীগ, কিছু অবাঞ্চিত ঘটনা ঘটতেই পারে।

দলের আরেক সিনিয়র নেতা মোহাম্মদ নাসিমের মতে, তৃণমূলে সাংগঠনিক কার্যক্রমে স্থবিরতা আসায় নেতৃত্বের অসুস্থ প্রতিযোগিতা চলছে।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম বলেন, কোথাও দশ বারো বছর কাউন্সিল হচ্ছে না। কারণ যারা নেতৃত্বে আছেন তারা পদ আকড়ে ধরে থাকতে চান। প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিলেও কেন্দ্রীয় নেতারা তৃনমূলে গিয়ে শুধু বক্তৃতা করে চলে আসেন। অনেক জায়গায় ১৫ আগস্ট, সাত মার্চও পালন হয় না।

এই অন্তঃকলহ-সহিংসতা এড়াতে আওয়ামী লীগ এবার কঠোর হচ্ছে বলে সতর্ক করছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ফারুক খান বলেন, কাউন্সিলের পূর্বেই দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের ব্যবস্থা নিতে হবে। কোন অনিয়ম বিশৃংখলা হলে আইনানুযায়ীইও ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সাংগঠনিক স্থবিরতা কাটাতে সময় লাগবে স্বীকার করেও তারা বলছেন, কাউন্সিল কেন্দ্রিক বিশৃঙ্খলায় কোনো ছাড় দেয়া হবে না।


রিয়াজ পাটওয়ারী

প্রধান ‍উপদেষ্টা: মো: ‍আবু তালেব মিয়া
প্রকাশক: মো: ‍ইনাম মাহমুদ
সম্পাদক : রিয়াজ পাটওয়ারী
যুগ্ম সম্পাদক: খান আব্বাস
প্রধান সম্পাদক: মো: কামরুল ইসলাম
সহ সম্পাদক: শরিফুল আলম সোহেল
নির্বাহী সম্পাদক: শাহাদাত তালুকদার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: এম এইচ প্রিন্স
Desing & Developed BY Engineer BD Network