ঢাকা,
মেনু |||

রাজাকার পরিবারের চক্রান্তের হাত থেকে মস্যখামারীর বাঁচার আকুতি

রাজাকার পরিবারের চক্রান্তের হাত থেকে বাঁচার আকুতি জানিয়েছেন মৎস্য ব্যবসায়ী আলাউদ্দিন মিয়া। ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানার মানিকা ইউনিয়ন স্থায়ী বাসিন্দা আলাউদ্দিন মিয়া দীর্ঘদিন ধরে মস্যচাষের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করছেন। আলাউদ্দিন মিয়ার মাছের খামারের উপর নজর পড়ে ভোলা জেলার স্বীকৃত রাজাকার অলিউল্লাহ মিয়ার ভাতিজা রফিকুল ইসলাম খসরু. আনোয়ার হোসেন ছোট্টু মেম্বার ও আমিরুল ইসলামের। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও আলাউদ্দিন মিয়া ধারদেনা করে সমিতি থেকে লোন নিয়ে প্রায় ২০ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা ব্যয় করে তার মৎস্য চাষ শুরু করে । মাছ যখন বিক্রয় করা সময় আসলো তখন রাজাকার পরিবার চক্রান্ত করে কিভাবে এই মৎস্যচাষীকে আর্তিক ভাবে ধ্বংস করা যায়। তারই মাস্টার প্ল্যান করে ২৬ শে জুন জনৈক ইউসুব নামের এক মাইক প্রচারক কে দিয়ে স্থানীয় এমপি মহোদয়ের কাছে একটা দরখাস্ত প্রদান করে যে খামারের পানি দিয়ে তাকে ডুবিয়ে রাখা হয়েছে। তদন্ত করে দেখা যায় সম্পূর্ণ ভুয়া বানোয়াট । ২৮ শে জুন দুপুরবেলা রফিক মিয়ার বাসায় ইউসুফ সহ লোকজন চক্রান্ত করে এবং রাতে ইউসুব গায়েমুখে কাঁদা মেখে হাসপাতাল ভর্তি হয় এবং মৎস্য খামারীর নামে থানায় দরখাস্ত করে। পরবর্তীতে ১৫ ই জুলাই আবার ও স্থানীয় এমপি মহোদয়ের কাছে অন্য এক লোক ফিট করে ওই খামারীর বিপক্ষে অভিযোগ করায় এতে এমপি মহোদয় ক্ষিপ্ত হয়ে খামার কেটে দেওয়ার জন্য বলে। পরবর্তীতে তদন্ত করে দেখা যায় যিনি অভিযোগ করেছেন তার এই খামারের আশেপাশে তার কোন জায়গা নেই বাড়ি নেই তার কোন কিছুই নেই। মিথ্যা বানোয়াট খামারির বিরুদ্ধে অভিযোগ করে। পরের দিন সকাল নয়টায় রফিকের লাঠিয়াল বাহিনী খামার কেটে দেয় এতে মৎস্য ব্যবসায়ী আলাউদ্দিন মিয়া প্রায় অর্ধ কোটি টাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই খামার কাটার দৃশ্য সরাসরি ফেসবুকে লাইভ লাইভ করে যা দেশ-বিদেশ বিভিন্ন পত্রপত্রিকা মিডিয়ার নজরে আসে।তারপর উল্টো মৎস্য ব্যবসায়ী আলাউদ্দিন মিয়ার নামে একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করে তাকে ও তার পরিবারকে দেশ থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য করে। এবং মাছ লুট ও তার পৈতৃক সম্পত্তির দখল করে নিজের আয়েত্ব নিয়ে যায় রফিক ।করোনায় এই মহামারির মধ্য আল্লাউদ্দিন ও তার পরিবার এই রাজাকার পরিবারের চক্রান্তে এলাকা ছাড়া। তদন্ত করতে গিয়ে রফিক মিয়া ও তাঁর ভাইদের নামে ভয়ঙ্কর তথ্য পাওয়া যায়। এই রাজাকার পরিবারের ৩ সদস্য তিন দল করে। তাই তারা সবসময় ক্ষমতার অধিকারী। রফিক ও তার পরিবারের হাতে এ পর্যন্ত অত্র এলাকার প্রায় ৫০এর অধিক মানুষ নির্যাতিত তাদের অত্যাচারে এলাকার মানুষ মুখ খোলার সাহস পায় না। জানা যায় রফিকুল ইসলাম বর্তমান ক্ষমতাসীন দলের লেবাস পড়ে চাঁদাবাজি সরকারি জমি দখল, সরকারি খাল দখল. সরকারি গাছ বিক্রয়. সরকারী আবাসন দখল সহ বিভিন্ন লোকের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানিতে লিপ্ত এবং অল্প সময়ে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে যায় ব্যক্তি । খোজ নিয়ে জানা যায় ২০০৮ সালের আগে ও বাসার চাউল ও সিগারেট কিনার টাকার জন্য মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরতো রফিক আজ সে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ এক ব্যক্তি। নির্যাতিত আলাউদ্দিন মিয়া আরো জানান ২০১৬ সালে তাকে এরকম নাটক করে দেশ থেকে তাড়িয়ে রফিক তার ৪০০মন ধান ৫লক্ষ টাকার মাছ লুটকরে নিয়ে যায় এবং তার পরিবারের নামে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ৫টি মিথ্যা মামলা দিয়ে পরিবারের সকল সদস্যকে জেল খাটায়। রফিক মিয়ার হাতে নির্যাতনের শিকার আরেক ব্যক্তি ফারুক সরদার জানান ২০১০ সালে তাকে প্রকাশ্যে লোহার রড পিটিয়ে মারাত্মক জখম করে এবং দেশ থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য করে। আরেক নির্যাতিত ব্যক্তি শফিজল মাঝি জানান তাকে ও তার বউকে প্রকাশ্যে শতশত লোকর সামনে জুতাপেটা করে রফিক.আরেক নির্যাতিত আলতাফ জানান তাকেও প্রকাশ্যে মেরে আহত করেছে। নুরনবী নামের একবেক্তি জানান তার ৩ একর জমি জবর দখল করে মাছের খামার করে আটকে রেখেছে রফিক. চরফ্যাশন উপজেলা মস্য অফিসার কামালউদ্দিন জানান তাদের সরকারী ২৫ একর এর একটি মাছের খামার রফিক জোর করে খাচ্ছে। পানিউন্নয়ন বোড এর গাজীর বান নামের একটি খাল বাদ দিয়ে মাছের খামার করে আটকিয়ে রেখেছে রফিক।এরকম শতশত অভিযোগ রফিক এর বিরুদ্ধে।তার আরেকভাই চুট্টু মেম্বার ভয়ানক প্রতারক বিভিন্ন মানুষের কাছে চাকরী দেওয়া ব্যবসায়ীক পাটনার হওয়ার কথা বলে অনেক টাকা হাতিয়ে নেওয়া অভিযোগ আছে।ঢাকা মৎস্য ব্যবসায়ী বাবুল সরদার জানান তাকে মাছ দেওয়ার কথা বলে ৫ লক্ষ টাকা নিয়ে যায় চুট্টমেম্বার। যাত্রাবাড়ীর মুরগি ব্যবসায়ী সিরাজ জানান তার কাছে ব্যবসায়ের কথা বলে ২লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়।চরফ্যাশন ভুট্টু নামের একশ্রমিক নেতার কাছে মাছ দেওয়ার নাম করে ৫ লক্ষ টাকা নেওয়ার অভিযোগ আছে। বরিশালের একহোন্ডা শোরুম থেকে ২লক্ষ টাকার হোন্ডা প্রতারণার মাধ্যমে ভাগিয়ে নেওয়া অভিযোগ আছে। চেকজালিয়তি একাধিক অভিযোগ চুট্টমেম্বার এর নামে বিভিন্ন সময় চেকজালিয়তি মামলায় জেল খাটার অভিযোগ পাওয়া যায়।মানিকা ইউনিয়ন এর সাবেক এক চোয়ারম্যান জানেন এই স্বীকৃত রাজকার পরিবারের সদস্যদের কাজ হলো মানুষের সাথে প্রতারণা ও চক্রান্ত ও গুটিবাজী করা।এদের কোনো নিদিষ্ট দল নেই তারা সব সময় ক্ষমতার অধিকারী।তাই তাদের বিরুদ্বে কেউ মুখ খোলার সাহস পায় না।পরিশেষে এই রাজাকার পরিবারের হাত থেকে বাঁচার জন্য মানিকা ইউনিয়ন এর সর্বস্তরের জনগণ স্থানীয় এমপি ও পুলিশ প্রশাসন এর হস্তক্ষেপ কামনা করছে।


admin

প্রধান ‍উপদেষ্টা: মো: ‍আবু তালেব মিয়া
প্রকাশক: মো: ‍ইনাম মাহমুদ
সম্পাদক : রিয়াজ পাটওয়ারী
যুগ্ম সম্পাদক: খান আব্বাস
প্রধান সম্পাদক: মো: কামরুল ইসলাম
সহ সম্পাদক: মো: মেহেদী হাসান
নির্বাহী সম্পাদক: শাহাদাত তালুকদার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: এম এইচ প্রিন্স
Desing & Developed BY Engineer BD Network